রায়হান খান
বাংলাদেশে ই-প্রকিউরমেন্ট শুরুর একদম প্রথম দিন থেকে ই-জিপি সিস্টেমে হাতে-কলমে কাজ করে আসা একজন পেশাদার — যিনি ঠিকাদার ও পরামর্শকদের প্রতিদিনের অনুসন্ধান-জনিত ঝামেলা দূর করতে গড়ে তুলেছেন ই-জিপি বাংলা।
যাত্রা শুরু
রায়হান খান গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ক্ষেত্রে কাজ করছেন — সারাদেশের ক্লায়েন্টদের হয়ে টেন্ডার প্রস্তুত, পর্যালোচনা ও জমা দেওয়ার কাজ করে আসছেন শুরু থেকেই। বাংলাদেশে ই-প্রকিউরমেন্ট (e-GP) চালুর একদম প্রথম দিন থেকে তিনি এই সিস্টেমে হাতে-কলমে যুক্ত — যে সময় ই-জিপি পোর্টাল সবেমাত্র পাইলট প্রকল্প হিসেবে সীমিত সংখ্যক ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চালু হয়েছিল, সেই সময় থেকেই।
বছরের পর বছর ধরে তিনি পূর্ববর্তী পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস, ২০০৮ (PPR 2008) থেকে বর্তমান পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস, ২০২৫ (PPR 2025) পর্যন্ত — নিয়মকাঠামোর প্রতিটি বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দরদাতাদের পাশে থেকেছেন। এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি টেন্ডার ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজনীয়তা, মূল্যায়ন মানদণ্ড, এবং NCT (National Competitive Tendering) ও ICT (International Competitive Tendering) — উভয় পদ্ধতিতে দরপত্র জমাদানের বাস্তব চিত্র সম্পর্কে গভীর ব্যবহারিক বোঝাপড়া গড়ে তুলেছেন।
কেন ই-জিপি বাংলা
বছরের পর বছর মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে রায়হান একটি সমস্যা বারবার প্রত্যক্ষ করেছেন — ঠিকাদার ও পরামর্শকরা প্রতিদিন যে অনুসন্ধান-জনিত ঝামেলার মুখোমুখি হন তা। জাতীয় ই-জিপি পোর্টালে প্রতিদিন শত শত টেন্ডার নোটিশ প্রকাশিত হলেও, সেখানে সীমিত ফিল্টার, পুরনো ইন্টারফেস এবং সংরক্ষিত সার্চের অনুপস্থিতির কারণে প্রাসঙ্গিক সুযোগ খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় — বিশেষত ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের জন্য, যাদের একটি নিবেদিত প্রকিউরমেন্ট টিম রাখার সামর্থ্য নেই।
এই ফাঁকটি পূরণ করতেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ই-জিপি বাংলা — একটি পাবলিক ডিসকভারি প্ল্যাটফর্ম, যা জাতীয় ই-জিপি পোর্টালের তথ্যকে একটি একক সার্চযোগ্য ইন্টারফেসে একত্র করে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, জেলা, ক্রয়ের ধরন, প্রকার ও পদ্ধতি অনুযায়ী সমৃদ্ধ ফিল্টারিং-সহ। লক্ষ্য একটাই — প্রতিটি যোগ্য দরদাতা, ছোট হোক বা বড়, সরকারি ক্রয়ের সুযোগে যেন সমান ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার পায়।
দক্ষতার ক্ষেত্র
টেন্ডার প্রস্তুতি
ডকুমেন্ট চেকলিস্ট প্রণয়ন থেকে শুরু করে যোগ্যতা বিশ্লেষণ ও সম্পূর্ণ ফর্ম প্রস্তুতিতে হাতে-কলমে সহায়তা।
বিড মূল্য নির্ধারণ
SLT ও মূল্যায়ন মানদণ্ড বিবেচনায় রেখে প্রতিযোগিতামূলক অথচ টেকসই দর নির্ধারণে কৌশলগত পরামর্শ।
সম্পূর্ণ e-GP জমাদান
NCT ও ICT — উভয় পদ্ধতিতে ফর্ম পূরণ, এনক্রিপশন থেকে চূড়ান্ত জমাদান পর্যন্ত সম্পূর্ণ সহায়তা।
