পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া: কী কী বদলাচ্ছে
২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া প্রকাশ করে জনসাধারণের মতামত চেয়েছে। খসড়াটি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এবং বিপিপিএ-র ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত। ১৩ পৃষ্ঠার এই খসড়ায় ৩৫টি দফা আছে, যা পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬-এর ৩৩টি ধারায় পরিবর্তন আনবে। উন্মুক্ত দরপত্রে কারিগরি ও আর্থিক দুই খাম, ৮০:২০ সম্মিলিত স্কোর, সীমিত দরপত্রের নতুন কাঠামো, দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকার এবং বিদেশিদের জন্য বাধ্যতামূলক যৌথ উদ্যোগ এর বড় দিক। নিচে প্রতিটি দফা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।
এটি এখনো খসড়া, আইন হিসেবে কার্যকর নয়। পাস হলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনে যে তারিখ ঠিক করবে সেদিন থেকে কার্যকর হবে। মতামত পাঠাতে হবে opinion@bppa.gov.bd ঠিকানায়। প্রকাশের তারিখ: ২৯/১০/২০২৬।
এক নজরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলো
- উন্মুক্ত দরপত্রে দুই খাম ও সম্মিলিত স্কোর (নতুন ধারা ৩১): দরপত্রে কারিগরি ও আর্থিক দুটি অংশ থাকবে। কারিগরিতে উত্তীর্ণদের আর্থিক প্রস্তাব খোলা হবে এবং সর্বোচ্চ সম্মিলিত স্কোরধারী NOA-র জন্য সুপারিশ পাবেন।
- ৮০:২০ স্কোর ও ±১০% সীমা: অভ্যন্তরীণ কার্য ও ভৌতসেবায় দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে ১০%-এর বেশি কম বা বেশি দর বাতিল। নির্দিষ্ট মূল্যসীমার মধ্যে টেকসইতাসহ কারিগরি মানে ৮০% এবং আর্থিক প্রস্তাবে ২০% ওজন।
- প্রাক্কলিত ব্যয় প্রকাশ্যে খোলা (নতুন ধারা ৪৭): কারিগরি মূল্যায়ন অনুমোদনের পর উপস্থিত দরদাতাদের সামনে আর্থিক প্রস্তাবের সাথে দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয়ও খোলা হবে।
- সীমিত দরপত্রের নতুন কাঠামো (নতুন ধারা ৩১ক): নতুন, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, নারী দরদাতা ও "সুযোগবঞ্চিত" ব্যক্তিদের জন্য এলাকা ও শ্রেণিভিত্তিক তালিকাভুক্তির মাধ্যমে সীমিত দরপত্র।
- যোগ্যতার কঠিন শর্তে লাগাম (ধারা ২৫): শুধু দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, উচ্চ টার্নওভার, সরকারি কাজের অভিজ্ঞতা বা একক বৃহৎ চুক্তির অভিজ্ঞতাকে বাধ্যতামূলক যোগ্যতা করা যাবে না।
- দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকার (নতুন ধারা ২৫ক): দেশে উৎপাদিত পণ্যে অগ্রাধিকার, এমনকি নির্দিষ্ট শ্রেণির দেশীয় পণ্য কেনা বাধ্যতামূলক করার ক্ষমতা।
- বিদেশিদের জন্য বাধ্যতামূলক যৌথ উদ্যোগ (ধারা ২৭): বিদেশি দরদাতাকে বাংলাদেশি অংশীদারের সাথে যৌথ উদ্যোগ গঠন করতে হবে, ন্যূনতম স্থানীয় অংশীদারত্ব বিধিতে।
- অযোগ্য ঘোষণার আগে কারণ দর্শানো (ধারা ৬৪): লিখিত নোটিশ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ বাধ্যতামূলক; শুধু সংশোধনযোগ্য ত্রুটিতে আগে সংশোধনের সময়।
দফাভিত্তিক সব পরিবর্তন
নিচের তালিকায় খসড়ার প্রতিটি দফা আছে। "ধারা" বলতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬-এর ধারা বোঝানো হয়েছে।
শিরোনাম ও সংজ্ঞা (দফা ১ ও ২)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ১ | নাম: পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬। গেজেট প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত তারিখে কার্যকর। |
| ২(ক) ধারা ২(৩) | "আবেদনকারী"-র নতুন সংজ্ঞা: সীমিত দরপত্রে বা আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন (RFQ) পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হতে, প্রাক-যোগ্যতায় অংশ নিতে, বা আগ্রহব্যক্তকরণের (EOI) পর সংক্ষিপ্ত তালিকায় ঢুকতে আগ্রহী ব্যক্তি। |
| ২(খ) নতুন ২(৩ক) | "ইকোনমিক অপারেটর" (Economic operator): চুক্তির অধীনে পণ্য, কার্য, ভৌতসেবা বা বুদ্ধিবৃত্তিক ও পেশাগত সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি; সরবরাহকারী, ঠিকাদার, সেবাপ্রদানকারী ও পরামর্শক সবাই এর অন্তর্ভুক্ত। |
| ২(গ) ধারা ২(৮) | "ক্রয়কারী" (Procuring Entity): সরকারি তহবিলে ক্রয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতাসম্পন্ন কর্মকর্তা, অথবা তাঁর দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কর্মকর্তা। |
| ২(ঘ) ধারা ২(১৬) | "সমজাতীয় সফটওয়্যার"-এর পর যুক্ত হবে "ইলেকট্রনিক ও নন-ইলেকট্রনিক উপাত্ত বা ডাটা"। |
| ২(ঙ) ধারা ২(১৮) | "পাবলিক প্রকিউরমেন্ট": এই আইনের অধীনে সরকারি তহবিল ব্যবহার করে ক্রয়কারীর যেকোনো ক্রয়। |
| ২(চ) ধারা ২(২৬) | উপ-দফা (ঘ) বিলুপ্ত। |
| ২(ছ) ধারা ২(৩১) | "ফ্যাক্স বা ইলেকট্রনিক বার্তাও"-এর বদলে "ইলেকট্রনিক মেইল বা বার্তাও"; অর্থাৎ ফ্যাক্স বাদ। |
| ২(জ) নতুন ২(৩৬ক) | "সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তি": বৈধ নিবন্ধন বা লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও সুযোগ বা অনুকূল পরিবেশের অভাবে এই সংশোধন কার্যকরের আগের সর্বোচ্চ ২০ বছরে কোনো সরকারি ক্রয়ে অংশ নিতে পারেননি বা নেননি এমন ব্যক্তি। |
প্রশাসন, কমিটি ও পরিকল্পনা (দফা ৩ থেকে ৬)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ৩: ধারা ৩(৪) নতুন | আউটসোর্সিং সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া অন্য আইনে যাই থাকুক, অর্থ বিভাগের বিধিমালা, নীতিমালা বা নির্দেশনা দিয়ে নির্ধারিত হবে। |
| ৪: ধারা ৬(১) | দরপত্র উন্মুক্তকরণ কমিটি (TOC) দাখিলের শেষ সময়ের আগে গঠিত হবে, ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অথবা কার্যালয় প্রধানের নিচের স্তরের অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে; মূল্যায়ন কমিটির অন্তত একজন সদস্য থাকবেন। |
| ৫(ক): ধারা ৭(১) | মূল্যায়ন কমিটি (TEC) দাখিলের তারিখের আগে, ক্রয়কারীর নিজস্ব কার্যালয় ও বাইরের কর্মকর্তা নিয়ে গঠিত হবে। অনুমোদন দেবেন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ, আর তিনি কার্যালয় প্রধানের উপরের স্তরের হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব অথবা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি। একটি ক্রয়ের দরপত্র একাধিক মূল্যায়ন কমিটি মূল্যায়ন করতে পারবে না। |
| ৫(খ): ধারা ৭(৬) | "সরকারের মন্ত্রী বা সরকার কর্তৃক গঠিত"-এর বদলে "মন্ত্রণালয়, বা সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ"। |
| ৬(ক): ধারা ১১(১) | ক্রয়কৌশল অনুসরণে অনুমোদিত "প্রকল্প"-এর সাথে "কর্মসূচি"-ও যুক্ত। |
| ৬(খ): ধারা ১১(২) | "রাজস্ব"-এর বদলে "পরিচালন" এবং "বাৎসরিক"-এর বদলে "বার্ষিক"। |
| ৬(গ): ধারা ১১(৫) | বিধি অনুযায়ী একটি ক্রয়চাহিদা একাধিক প্যাকেজে এবং প্রয়োজনে প্রতিটি প্যাকেজ একাধিক লটে ভাগ করা যাবে। |
| ৬(ঘ): ধারা ১১(৬) | একটি প্যাকেজ একাধিক লটে ভাগ হলে, সব লটের মোট অর্থের অনুমোদন-ক্ষমতা যে কর্তৃপক্ষের, যেকোনো লটের চুক্তি প্রস্তাবও সেই কর্তৃপক্ষের কাছে যাবে। |
জামানত ও চুক্তি ব্যবস্থাপনা (দফা ৭ ও ৮)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ৭: ধারা ১৪(খ) | পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবার দরপত্র দলিলে দরপত্র জামানত ও চুক্তি-জামানতের নির্দিষ্ট হার ও পদ্ধতি থাকবে। সরাসরি ক্রয় (DPM), কোটেশন (RFQ) ও বিপরীত নিলামে দরপত্র জামানত লাগবে না; সীমিত দরপত্রে বিধি অনুযায়ী রাখা যাবে। |
| ৮: ধারা ২২ প্রতিস্থাপন | "চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা": আইন, বিধি ও আদর্শ দলিলের নির্দেশনা মেনে চুক্তি পরিচালনা; ভেরিয়েশন অর্ডার, অতিরিক্ত সরবরাহ বা সময় বৃদ্ধির মতো পরিবর্তনে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে সংশোধিত চুক্তি করতে হবে; দায়িত্বে অবহেলায় ক্রয়কারী, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সংশ্লিষ্টরা ব্যাখ্যা প্রদান-সাপেক্ষে দায়বদ্ধ। |
যোগ্যতা, দেশীয় অগ্রাধিকার ও যৌথ উদ্যোগ (দফা ৯ থেকে ১২)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ৯: ধারা ২৫(২) ও (৩) নতুন | নতুন নিবন্ধিত ব্যক্তি বা নবীন উদ্যোক্তার অংশগ্রহণ অপ্রয়োজনীয়ভাবে সীমিত করে এমন যোগ্যতার শর্ত দেওয়া যাবে না। শুধু দীর্ঘমেয়াদি অভিজ্ঞতা, উচ্চ বার্ষিক টার্নওভার, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজের অভিজ্ঞতা বা একক বৃহৎ চুক্তির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক যোগ্যতা করা যাবে না; তবে প্রকৃতি, জটিলতা ও ঝুঁকি বিবেচনায় বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ শর্ত দেওয়া যাবে। |
| ১০: নতুন ধারা ২৫ক | "দেশীয় পণ্য ক্রয়ে অগ্রাধিকার": দেশীয় শিল্প, স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যে অগ্রাধিকার দিতে বা নির্দিষ্ট শ্রেণির দেশীয় পণ্য কেনা বাধ্যতামূলক করতে পারবে। |
| ১১(ক): ধারা ২৬(২) | দেশীয় শিল্প, নতুন দরদাতা, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র দরদাতা, নারী দরদাতা বা সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার যোগ্যতার শর্ত শিথিল করতে পারবে। |
| ১১(খ): ধারা ২৬(৩) নতুন | নৈতিকতার মূলনীতি হিসেবে দরদাতা নৈতিক ও আইনি মানদণ্ডে উত্তীর্ণ কি না, বিধিতে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যায়ন করবে। |
| ১২: ধারা ২৭(২) | বিদেশি ব্যক্তি প্রাক-যোগ্যতা, আগ্রহব্যক্তকরণ বা দরপত্র ও প্রস্তাবে অংশ নিতে চাইলে বাংলাদেশি অংশীদারের সাথে যৌথ উদ্যোগ বাধ্যতামূলক। দেশীয় অংশীদারের ন্যূনতম অংশীদারত্ব বিধিতে; বিশেষ ক্রয়ে সরকার শর্ত শিথিল করতে পারবে। |
ক্রয় পদ্ধতি (দফা ১৩ থেকে ২০)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ১৩: ধারা ২৯(২)(গ) | উপ-দফা (অ)-এর শুরুতে "কোন ক্রয়ের ক্ষেত্রে সকল" যুক্ত; উপ-দফা (আ)-তে "অনুমোদনের"-এর বদলে "সুপারিশের"। |
| ১৪: ধারা ৩০(৪) | আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি এবং রিভিউ প্যানেল গঠন, পুনর্গঠন, সদস্য অপসারণ ও শূন্যপদ পূরণ সরকারের বিধি অনুযায়ী। |
| ১৫: ধারা ৩১ প্রতিস্থাপন | "উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ": নতুন ধারা ৩১ক(২)-এর ক্ষেত্র ছাড়া উন্মুক্ত দরপত্র অগ্রাধিকার পাবে। শর্ত: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাক-যোগ্যতা; বৈষম্যহীন সম-শর্ত; ধারা ৪০ অনুযায়ী বিজ্ঞাপন; দাখিল ও সরবরাহ বা সম্পাদনের ন্যূনতম সময়; কারিগরি ও আর্থিক দুই অংশ; কারিগরিতে উত্তীর্ণদের আর্থিক প্রস্তাব খোলা ও মূল্যায়ন; কারিগরি ও আর্থিক স্কোর মিলিয়ে সম্মিলিত স্কোর। অভ্যন্তরীণ কার্য ও ভৌতসেবায় দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় (Official Cost Estimate) থেকে ১০%-এর বেশি কম বা বেশি দর বাতিল। সেই মূল্যসীমার মধ্যে কারিগরি মানে (টেকসইতাসহ) ৮০% ও আর্থিকে ২০% ওজন। মূল্যায়ন কমিটি দলিল যাচাই করে প্রয়োজনে বাতিল করতে পারবে। সর্বোচ্চ সম্মিলিত স্কোরধারী চুক্তি সম্পাদনের নোটিশের জন্য সুপারিশ পাবেন। |
| ১৬: নতুন ধারা ৩১ক | "সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ": দেশীয় শিল্প, নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র, নারী দরদাতা ও সুযোগবঞ্চিতদের অংশগ্রহণ, অথবা কারিগরি বা সরবরাহ শৃঙ্খলের কারণে সীমিত সরবরাহকারী থাকলে কার্যালয় প্রধান বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুমোদনে সীমিত দরপত্র। পাঁচটি ক্ষেত্র: (ক) বিশেষায়িত বা সরবরাহ শৃঙ্খলবদ্ধ, সীমিত উৎসে লভ্য ক্রয়; (খ) খুচরা যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ কমাতে ব্র্যান্ড-মান প্রমিতকরণের সরকারি নীতি; (গ) অপ্রত্যাশিত জরুরি প্রয়োজন, যা ক্রয়কারীর দীর্ঘসূত্রতায় সৃষ্ট নয়; (ঘ) সরকার-স্বীকৃত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলে উৎপাদিত পণ্য; (ঙ) নতুন, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, নারী ও সুযোগবঞ্চিতসহ দরদাতাদের কাছ থেকে বিধির মূল্যসীমার মধ্যে এলাকাভিত্তিক ও শ্রেণিভিত্তিক তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ক্রয়। (ক), (খ), (ঘ)-তে মূল্যসীমা নেই, সম্ভাব্য সবাইকে আহ্বান করতে হবে; (গ)-তে বিধির মূল্যসীমা ও পদ্ধতি; অভ্যন্তরীণ ক্রয়ে নির্ধারিত মূল্যসীমায় (ঙ) বাধ্যতামূলক এবং প্রাক্কলিত ব্যয় থেকে বিধির শতাংশের বেশি কম বা বেশি দর বাতিল। বিশেষায়িত বা কারিগরি ক্রয়ে কার্যালয় প্রধানের অনুমোদনে (ঙ)-এর বদলে উন্মুক্ত বা অন্য পদ্ধতি নেওয়া যাবে। |
| ১৭: ধারা ৩২(১) | দফা (ক) বিলুপ্ত; দফা (খ)-এর উপ-দফা (ই) বিলুপ্ত; দফা (গগ) বিলুপ্ত। |
| ১৮: ধারা ৩৩(গ)(এ) | প্রতিস্থাপিত: "ধারা ২৭(২) অনুসারে যৌথ উদ্যোগে ন্যূনতম স্থানীয় অংশীদারত্ব নিশ্চিতকরণ"। |
| ১৯: ধারা ৩৪ | উপ-ধারা (১ক) বিলুপ্ত এবং (৩) ও (৬) থেকে এর উল্লেখ বাদ। নতুন ৩৪(৫): একমাত্র দরদাতা থাকলে, অথবা অন্য রাষ্ট্রের সরকার, সরকারি বা সরকার-মনোনীত প্রতিষ্ঠান, জাতিসংঘের কোনো অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা থেকে ক্রয়ে বিধি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি। |
| ২০: ধারা ৩৯(২) | সেবা ক্রয়েও ধারা ২৭(২) অনুযায়ী যৌথ উদ্যোগে ন্যূনতম স্থানীয় অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে হবে। |
বিজ্ঞাপন, উন্মুক্তকরণ ও মূল্যায়ন (দফা ২১ থেকে ২৭)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ২১(ক): ধারা ৪০(২) | বিজ্ঞাপন একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় সংবাদপত্রে। |
| ২১(খ): ধারা ৪০(৫) | আন্তর্জাতিক দরদাতাদের জানাতে হলে অতিরিক্তভাবে বহুল প্রচারিত আন্তর্জাতিক ইংরেজি সংবাদপত্র, প্রকাশনা বা নিউজ-পোর্টালে, অথবা জাতিসংঘের প্রকাশনা বা ওয়েবসাইটে (যেমন UNGM, United Nations Global Marketplace) বা আন্তর্জাতিক দরপত্র বা বাণিজ্যিক পোর্টালে; প্রয়োজনে বাংলাদেশে বিদেশি মিশন ও বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে প্রচার। |
| ২২: ধারা ৪৬(৫) | বিলুপ্ত। |
| ২৩: ধারা ৪৭ প্রতিস্থাপন | "দরপত্র উন্মুক্তকরণ": শেষ সময়ের পরপরই TOC কারিগরি প্রস্তাব খুলবে; আর্থিক প্রস্তাব নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে যতক্ষণ না কারিগরি মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুমোদিত হয়। এরপর দলিলে উল্লিখিত স্থানে উত্তীর্ণ আগ্রহী দরদাতা বা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে TEC আর্থিক প্রস্তাব ও দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় খুলে মূল্যায়ন করবে। এভাবে না খোলা দরপত্র বিবেচিত হবে না, না খুলেই ফেরত যাবে। |
| ২৪: ধারা ৪৮(২)(খ) | আমদানিকৃত পণ্যের মূল্যায়ন নির্ধারিত ইনকোটার্মস (INCOTERMS)-এর শর্তের সাথে সঙ্গতি রেখে। |
| ২৫: ধারা ৪৯(১)(খ) | নতুন শর্তাংশ: সরকার বিধি দিয়ে নেগোসিয়েশনের সুযোগ বাড়াতে বা সীমিত করতে পারবে। |
| ২৬: ধারা ৫০ প্রতিস্থাপন | "দরপত্র দাখিল-উত্তর যোগ্যতা যাচাই": প্রতিবেদন চূড়ান্তের আগে TEC দলিলে উল্লিখিত মানদণ্ডে সর্বনিম্ন রেসপন্সিভ, অথবা খসড়ার ভাষায় "ধারা ৩১(১)(ঝ) মোতাবেক সফল" দরদাতার চুক্তি পালনের যোগ্যতা ও আর্থিক সামর্থ্য যাচাই করবে। |
| ২৭: ধারা ৫১(১) | "নিকট পেশ করিবে"-এর পর যুক্ত: "অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, ধারা ৭(৬) মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিবে"। |
প্রক্রিয়ার পরিসমাপ্তি ও অনুমোদন (দফা ২৮ থেকে ৩২)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ২৮: ধারা ৫৩ প্রতিস্থাপন | "দরপত্র প্রক্রিয়ার পরিসমাপ্তি": চুক্তিস্বাক্ষরের পর অকৃতকার্যদের লিখিতভাবে জানানো, কৃতকার্যের মালিকানা-বিষয়ক ও চুক্তির তথ্যসহ নোটিশ প্রকাশ এবং গ্রহণযোগ্য দরদাতাদের দরপত্র জামানত ফেরত। |
| ২৯: ধারা ৫৬(১) | "ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধানের"-এর বদলে কার্যালয় প্রধান বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, এবং কার্যালয় প্রধানের নিচের স্তরের হলে অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ। |
| ৩০: ধারা ৫৯(১) | "ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির"-এর বদলে "কর্মকর্তার", সাথে কার্যালয় প্রধানের নিচের স্তরের অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ যুক্ত। |
| ৩১: ধারা ৬১(১) | "পেশ করিবে"-এর পর যুক্ত: "অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, ধারা ৭(৬) মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিবে"। |
| ৩২: ধারা ৬৩ প্রতিস্থাপন | "প্রস্তাব প্রক্রিয়ার পরিসমাপ্তি": পরামর্শকের সাথে চুক্তির পর অন্য আবেদনকারী ও পরামর্শকদের লিখিতভাবে জানানো এবং কৃতকার্যের মালিকানা ও চুক্তির তথ্যসহ নোটিশ প্রকাশ। |
অসদাচরণ, বিপিপিএ ও জরুরি ক্রয় (দফা ৩৩ থেকে ৩৫)
| দফা | কী বদলাচ্ছে |
|---|---|
| ৩৩(ক): ধারা ৬৪(২) | "বা অন্য কোন কর্মকাণ্ডে"-এর বদলে "প্রতিবন্ধকতামূলক কর্মকাণ্ডে"। |
| ৩৩(খ): ধারা ৬৪(৫) | আইন, বিধি, দরপত্র দলিল বা চুক্তি লঙ্ঘন, দুর্নীতি, প্রতারণা, যোগসাজশ, জবরদস্তি, প্রতিবন্ধকতা, কার্যসম্পাদন ব্যর্থতা বা জনস্বার্থবিরোধী গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে সিদ্ধান্তের আগে অভিযোগের বিবরণসহ বিধির সময় দিয়ে লিখিত কারণ দর্শানোর নোটিশ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। |
| ৩৩(গ): ধারা ৬৪(৬) | ব্যাখ্যা ও প্রমাণ বিবেচনায় কার্যালয় প্রধান কারণ লিখে নির্দিষ্ট মেয়াদে অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন। দুর্নীতি, প্রতারণা, যোগসাজশ, জবরদস্তি ও প্রতিবন্ধকতা ছাড়া শুধু সংশোধনযোগ্য ত্রুটিতে আগে যুক্তিসঙ্গত সময়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া যাবে। মেয়াদ, নিবন্ধন বাতিল ও তথ্য সংরক্ষণ বিধিতে। |
| ৩৪: নতুন ধারা ৬৬ক | বিপিপিএ-র দায়িত্ব: ক্রয়কারী, জনবল ও অংশীজনদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনার; আধুনিকীকরণ ও দক্ষতা বাড়াতে গবেষণা; স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা, টেকসইতা ও প্রতিযোগিতা বাস্তবায়নে উদ্যোগ ও সরকারকে পরামর্শ; প্রতি বছর সরকারের কাছে কার্যক্রম প্রতিবেদন। |
| ৩৫: ধারা ৬৮(১) | রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন, বিপর্যয় মোকাবিলা বা জনগুরুত্বপূর্ণ ক্রয়ে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশে সরকার সরাসরি ক্রয় বা একক উৎসভিত্তিক নির্বাচন (SSS) অনুসরণ, কোনো পদ্ধতির বিশদ ধাপ পরিহার, অথবা বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থা (Alternative Procurement Arrangement) নিতে পারবে। |
দরদাতাদের জন্য এর মানে কী
- শুধু সর্বনিম্ন দর আর যথেষ্ট নয়: উন্মুক্ত দরপত্রে কারিগরি মান ও টেকসইতা প্রস্তাবই হবে প্রধান লড়াই, কারণ সংশ্লিষ্ট মূল্যসীমায় এর ওজন ৮০%।
- প্রাক্কলনের কাছাকাছি দর: অভ্যন্তরীণ কার্য ও ভৌতসেবায় প্রাক্কলিত ব্যয় থেকে ১০%-এর বাইরে গেলে দরপত্র বাতিল, তাই দর বিশ্লেষণ আরও নিখুঁত হতে হবে। বিস্তারিত দেখুন Works BoQ-তে দর নির্ধারণ।
- নতুন ও ছোট প্রতিষ্ঠানের সুযোগ: কঠিন অভিজ্ঞতা ও টার্নওভারের শর্তে সীমা, শর্ত শিথিলের ক্ষমতা এবং তালিকাভুক্তিভিত্তিক সীমিত দরপত্র নতুন, নারী, ক্ষুদ্র ও সুযোগবঞ্চিত দরদাতাদের দরজা খুলবে।
- দেশীয় উৎপাদকের সুবিধা: দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকার ও বাধ্যতামূলক ক্রয়ের সুযোগ দেশে উৎপাদনকারীদের পক্ষে।
- বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার লাগবে: বাংলাদেশি অংশীদারের সাথে যৌথ উদ্যোগ ছাড়া অংশ নেওয়া যাবে না; দেখুন যৌথ উদ্যোগে অংশগ্রহণ।
- জামানতে স্বস্তি: DPM, RFQ ও বিপরীত নিলামে দরপত্র জামানত লাগবে না।
- শাস্তির আগে ন্যায্য সুযোগ: কারণ দর্শানোর নোটিশ ও সংশোধনের সময় বাধ্যতামূলক হওয়ায় ছোট ত্রুটিতে হঠাৎ অযোগ্য হওয়ার ঝুঁকি কমবে।
- বেশি স্বচ্ছতা: প্রাক্কলিত ব্যয় প্রকাশ্যে খোলা এবং চুক্তির পর মালিকানা-তথ্যসহ নোটিশ প্রকাশ।
যা এখনো বিধির ওপর নির্ভর করছে
খসড়ার অনেক বিষয় পরে বিধিমালা দিয়ে ঠিক হবে, তাই সংখ্যাগুলো এখনই জানা যাচ্ছে না:
- ৮০:২০ স্কোর ও ±১০% সীমা কোন মূল্যসীমায় প্রযোজ্য।
- তালিকাভুক্তিভিত্তিক সীমিত দরপত্রের মূল্যসীমা ও প্রাক্কলন থেকে গ্রহণযোগ্য শতাংশ।
- যৌথ উদ্যোগে দেশীয় অংশীদারের ন্যূনতম অংশ।
- দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকারের পদ্ধতি ও শর্ত।
- দরদাতার নৈতিকতা প্রত্যায়নকারী কর্তৃপক্ষ, নেগোসিয়েশনের পরিসর, অযোগ্য ঘোষণার মেয়াদ এবং আপিল ও রিভিউ প্যানেলের বিধান।
- আইনটি কবে থেকে কার্যকর হবে (গেজেট প্রজ্ঞাপনের তারিখ)।
খসড়ার নতুন ধারা ৫০-এ "ধারা ৩১(১)(ঝ)" উল্লেখ আছে, কিন্তু খসড়ার নতুন ধারা ৩১(১)-এর তালিকা দফা (ছ)-তে শেষ। উল্লেখটি এসেছে সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৬ থেকে, যার ধারা ৩১(১)-এ দফা (ঝ) ছিল। মতামত দেওয়ার সময় এই উল্লেখটি হালনাগাদ করার অনুরোধ করা যেতে পারে।
আগের সংশোধনীগুলোর সাথে সম্পর্ক
২০২৬ সালে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর আগে দুবার বদলেছে: সংশোধন আইন, ২০২৬ (১০ এপ্রিল ২০২৬ গেজেট, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর) এবং সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৬ (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। এই খসড়া অধ্যাদেশের প্রায় সব বিধান রেখেছে এবং উন্মুক্ত দরপত্রে সর্বোচ্চ সম্মিলিত স্কোর, ৮০:২০ ওজন ও ±১০% সীমা, আউটসোর্সিং, জামানত মওকুফ, INCOTERMS ও সেবা ক্রয়ে যৌথ উদ্যোগের মতো নতুন বিষয় যোগ করেছে। ই-জিপি বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিপিপিএ-র সাম্প্রতিক নির্দেশনা দেখুন অফলাইন দরপত্র বিষয়ক পরিপত্রে।
কীভাবে মতামত দেবেন
- বিপিপিএ বা আইএমইডি-র ওয়েবসাইট থেকে খসড়াটি ডাউনলোড করে পুরোটা পড়ুন।
- যে দফায় মতামত দিতে চান, তার নম্বর ও সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা উল্লেখ করুন।
- সমস্যাটি সংক্ষেপে লিখুন, বিকল্প শব্দচয়ন প্রস্তাব করুন এবং কারণ বা বাস্তব অভিজ্ঞতা যুক্ত করুন।
- নিজের পরিচয় ও প্রতিষ্ঠান (ঠিকাদার, পরামর্শক, ক্রয়কারী ইত্যাদি) উল্লেখ করে opinion@bppa.gov.bd ঠিকানায় ইমেইল করুন।
- মতামতের শেষ তারিখ বিপিপিএ-র মূল বিজ্ঞপ্তিতে দেখে নিন এবং তার আগেই পাঠান।
সংক্ষেপে
- খসড়া প্রকাশ ২৯/১০/২০২৬; মতামত opinion@bppa.gov.bd-এ।
- ৩৫ দফায় পিপিএ ২০০৬-এর ৩৩টি ধারায় পরিবর্তন; নতুন ধারা ২৫ক, ৩১ক ও ৬৬ক।
- উন্মুক্ত দরপত্রে দুই খাম, সম্মিলিত স্কোর, ৮০:২০ ওজন ও ±১০% সীমা।
- নতুন, নারী, ক্ষুদ্র ও সুযোগবঞ্চিতদের জন্য তালিকাভুক্তিভিত্তিক সীমিত দরপত্র।
- দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকার এবং বিদেশিদের জন্য বাধ্যতামূলক যৌথ উদ্যোগ।
- অযোগ্য ঘোষণার আগে কারণ দর্শানো ও সংশোধনের সুযোগ; জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থা।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
এই সংশোধনী কি এখনই কার্যকর?
মতামত কোথায় পাঠাতে হবে?
উন্মুক্ত দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাই কি আর কাজ পাবেন না?
সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তি কারা?
কোন পদ্ধতিতে দরপত্র জামানত লাগবে না?
সম্পর্কিত পাতা
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬
মূল আইন ও আগের সংশোধনী।
উন্মুক্ত দরপত্র (OTM)
বর্তমান নিয়মে প্রক্রিয়া।
সীমিত দরপত্র (LTM)
বর্তমান নিয়মে প্রক্রিয়া।
অভিযোগ, আপিল ও বারিতকরণ
বর্তমান নিয়মে প্রতিকার।
তথ্যসূত্র
- পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া, প্রকাশ ২৯/১০/২০২৬ (বিপিপিএ ও আইএমইডি)
- Bangladesh Public Procurement Authority (BPPA)
- বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (IMED)
- পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ২৪ নং আইন)
সর্বশেষ হালনাগাদ: অক্টোবর ২০২৬ · এটি খসড়া আইনের সারসংক্ষেপ; চূড়ান্ত আইন ও বিধিমালা প্রকাশিত হলে সেগুলোই প্রযোজ্য। টেন্ডার জমা দেওয়ার আগে সর্বদা eprocure.gov.bd-এর মূল নথি যাচাই করুন।
রায়হান খান গত ১০ বছর ধরে সরকারি ক্রয় ক্ষেত্রে কাজ করছেন — বাংলাদেশজুড়ে ক্লায়েন্টদের জন্য টেন্ডার প্রস্তুত, পর্যালোচনা ও জমা দেওয়ার কাজ করে আসছেন। বাংলাদেশে ই-প্রকিউরমেন্ট শুরুর একদম প্রথম দিন থেকেই তিনি ই-জিপি সিস্টেমে হাতে-কলমে কাজ করে আসছেন এবং পূর্ববর্তী PPR 2008 থেকে বর্তমান PPR 2025 পর্যন্ত, টেন্ডার ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজনীয়তা, মূল্যায়ন মানদণ্ড, এবং NCT ও ICT উভয় পদ্ধতিতে দরপত্র জমাদানের বাস্তব চিত্র সম্পর্কে গভীর ব্যবহারিক বোঝাপড়া গড়ে তুলেছেন। ঠিকাদার ও পরামর্শকরা প্রতিদিন যে অনুসন্ধান-জনিত ঝামেলার মুখোমুখি হতেন, তা দূর করতেই তিনি ই-জিপি বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
